ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে এ পর্যন্ত যত রকম সংখ্যার সাথে পরিচয় হয়েছে, এই অনুচ্ছেদে তাদের সবাইকে এক জায়গায় এনে সাজানো হয়। নামগুলো নতুন নয়, কিন্তু সাজানোটা নতুন, আর সেখানেই আসল কাজ: কে কার ভিতরে থাকে, আর একদম উপরে গিয়ে কেবল দুটো ঘর কেন থাকে।
১. গণনার সংখ্যা থেকে শুরু
স্বাভাবিক সংখ্যা হলো গণনার সংখ্যা: ১, ২, ৩, ৪ আর এভাবেই চলতে থাকে। দুটো কথা এখানে আলাদা করে মনে রাখার: শূন্য স্বাভাবিক সংখ্যা নয়, আর সবচেয়ে বড় স্বাভাবিক সংখ্যা বলে কিছু নেই। স্বাভাবিক সংখ্যাদের মধ্যে আবার ভাগ আছে; মৌলিক সংখ্যা সেগুলো যাদের ১ আর নিজেকে ছাড়া আর কোনো উৎপাদক নেই, আর যৌগিক সংখ্যা সেগুলো যাদের আছে। ১ এই দুই দলের কোনোটাতেই পড়ে না, আর এটাই এই তালিকার সবচেয়ে বেশি পরীক্ষিত ফাঁদ।
স্বাভাবিক সংখ্যা, তাদের ঋণাত্মক রূপ আর শূন্য মিলে হয় পূর্ণসংখ্যা। আর p/q আকারের সংখ্যাকে বলে ভগ্নাংশ, যেখানে p ও q পূর্ণসংখ্যা এবং হর শূন্য নয়। লব হর থেকে ছোট হলে প্রকৃত ভগ্নাংশ, আর লব হরের সমান বা বড় হলে অপ্রকৃত ভগ্নাংশ। গাছটার ডাল খুলে দেখে নাও কে কোথায় বসে আছে।
শাখাট্যাপ করে শাখা খোলো
সংখ্যার পরিবারবৃক্ষ
বাস্তব সংখ্যা
মূলদ সংখ্যা p/q আকারে লেখা যায়
পূর্ণসংখ্যা
ঋণাত্মক পূর্ণসংখ্যা -১, -২, -৩, …
শূন্য ধনাত্মকও নয়, ঋণাত্মকও নয়
স্বাভাবিক সংখ্যা
মৌলিক সংখ্যা ২, ৩, ৫, ৭, ১১
যৌগিক সংখ্যা ৪, ৬, ৮, ৯, ১০
১ মৌলিকও নয়, যৌগিকও নয়
ভগ্নাংশ সংখ্যা
প্রকৃত ভগ্নাংশ ৩/৪, ৫/৮
অপ্রকৃত ভগ্নাংশ ৭/৪, ২২/৭
সসীম ও আবৃত্ত দশমিক ০.২৫, ০.৩
অমূলদ সংখ্যা p/q আকারে লেখা যায় না
পূর্ণবর্গ নয় এমন সংখ্যার বর্গমূল √2, √3, √5, √7
অসীম অনাবৃত্ত দশমিক π, ০.১০১০০১০০০১…
মিলিয়ে দেখো
একটা প্রশ্ন
নিচের কোনটি স্বাভাবিক সংখ্যা নয়?
ঠিক। স্বাভাবিক সংখ্যা শুরু হয় ১ থেকে। শূন্য পূর্ণসংখ্যা, মূলদ সংখ্যা ও বাস্তব সংখ্যা, কিন্তু স্বাভাবিক সংখ্যা নয়।
১ স্বাভাবিক সংখ্যা, আর প্রথমটাই। তবে সে মৌলিকও নয় যৌগিকও নয়, সেটা আলাদা কথা।
৭ একটা স্বাভাবিক সংখ্যা, আর মৌলিকও।
১০১ স্বাভাবিক সংখ্যা। বড় হলেই আলাদা কিছু হয় না; স্বাভাবিক সংখ্যার শেষ নেই।
২. মূলদ, অমূলদ, আর বাস্তব
বইয়ের সংজ্ঞা সোজা: যে সকল সংখ্যাকে p/q আকারে প্রকাশ করা যায়, যেখানে p ও q পূর্ণসংখ্যা এবং q শূন্য নয়, তাদের মূলদ সংখ্যা বলে। এই সংজ্ঞা থেকে দুটো কথা সরাসরি বেরিয়ে আসে, আর দুটোই কাজে লাগে। এক, প্রত্যেক পূর্ণসংখ্যা মূলদ, কারণ ৫ কে ৫/১ লেখা যায়। দুই, প্রত্যেক সসীম বা আবৃত্ত দশমিকও মূলদ, কারণ তাদের ভগ্নাংশে ফিরিয়ে নেওয়া যায়।
যে সংখ্যাগুলোকে p/q আকারে প্রকাশ করাই যায় না, তাদের বলে অমূলদ সংখ্যা। বই একটা কাজের নিয়মও দেয়: পূর্ণবর্গ নয় এরূপ যেকোনো স্বাভাবিক সংখ্যার বর্গমূল অমূলদ, তাই √2, √3, √5, √7 সবই অমূলদ। π-ও অমূলদ। আর সব মূলদ ও সব অমূলদ সংখ্যাকে একত্রে বলে বাস্তব সংখ্যা।
এই শেষ বাক্যটা একবার জোরে পড়ে নেওয়া দরকার, কারণ পুরো অধ্যায়টা এর উপর দাঁড়িয়ে। ঘর দুটো পরস্পর আলাদা এবং দুটো মিলেই সবটুকু: কোনো সংখ্যা একই সঙ্গে মূলদ ও অমূলদ হতে পারে না, আর কোনো বাস্তব সংখ্যা দুই ঘরের বাইরেও পড়ে থাকতে পারে না। নিচের ছবিতে ঠিক সেভাবেই আঁকা, একটা দেয়াল দিয়ে দুই ভাগ।
ঘরএকটা সেট বেছে নাও
কে কার ভেতরে
স্বাভাবিক সংখ্যা। ১, ২, ৩ আর এভাবেই চলতে থাকে, সবচেয়ে ভিতরের ঘর। শূন্য এখানে নেই।
পূর্ণসংখ্যা। স্বাভাবিক সংখ্যা, শূন্য আর ঋণাত্মক রূপ মিলে। স্বাভাবিক সংখ্যা পুরোটাই এর ভিতরে পড়ে গেছে।
মূলদ সংখ্যা। p/q আকারে লেখা যায় এমন সব সংখ্যা। সব পূর্ণসংখ্যা মূলদ, কারণ ৫ = ৫/১; কিন্তু সব মূলদ পূর্ণসংখ্যা নয়, কারণ ৩/৪ কোনো পূর্ণসংখ্যা নয়।
অমূলদ সংখ্যা। দেয়ালের ওপাশে, মূলদের বাইরে, কিন্তু বাস্তবের ভিতরেই। √2, π এখানে বসে। খেয়াল করো ঘর দুটো একটুও একে অন্যের উপর পড়েনি।
বাস্তব সংখ্যা। মূলদ আর অমূলদ, দুটো মিলে। ছবিটার পুরোটা জ্বলে উঠল, একটুও বাকি রইল না; কারণ কোনো সংখ্যা দুই ঘরে নেই, আর কোনো সংখ্যা বাইরেও নেই।
পাঁচটাই দেখা হলো। ভিতর থেকে বাইরে হেঁটে গেলে আলোকিত জায়গা বাড়তেই থাকে, আর শেষে পুরো আয়তক্ষেত্রটা ভরে যায়। এটাই শ্রেণিবিন্যাসের পুরো গল্প।
ঘরগুলো একটার ভিতরে আরেকটা, এই কথাটা থেকে কয়েকটা বাক্য সরাসরি সত্য হয়ে যায় আর কয়েকটা সরাসরি মিথ্যা। কোনটা কী, সেটা এক ঝলক ভেবে নাও।
মিলিয়ে দেখো
আরেকটা প্রশ্ন
নিচের কোন বাক্যটি সঠিক?
উল্টো দিকটা সত্য নয়। ৩/৪ মূলদ, কিন্তু কোনো পূর্ণসংখ্যা নয়। ছবিতে পূর্ণসংখ্যার ঘরটা মূলদের ভিতরে, আর মূলদের ঘরে আরও জায়গা আছে।
ঠিক। যেকোনো পূর্ণসংখ্যা n কে n/১ লেখা যায়, তাই সব পূর্ণসংখ্যাই মূলদ। উল্টোটা নয়।
ঘর দুটো পরস্পর আলাদা, একটুও একে অন্যের উপর পড়ে না। p/q আকারে হয় লেখা যায়, নয় যায় না; মাঝামাঝি কিছু নেই।
শূন্য ধনাত্মকও নয়, ঋণাত্মকও নয়। অঋণাত্মক সংখ্যা বলতে শূন্যসহ সব ধনাত্মক সংখ্যা বোঝায়, আর শূন্য ঢোকে ওই নামেই।
৩. সংখ্যারেখায় সবার জায়গা
শ্রেণিবিন্যাসটার একটা ছবি আছে, আর সেটা সংখ্যারেখা। প্রত্যেক বাস্তব সংখ্যার জন্য রেখাটায় ঠিক একটা বিন্দু আছে, আর প্রত্যেক বিন্দুর জন্য ঠিক একটা বাস্তব সংখ্যা। তাই সংখ্যারেখায় কোনো ফাঁক নেই। মূলদ সংখ্যারা একা রেখাটা ভরাতে পারে না; যে ফাঁকগুলো থেকে যায় সেগুলো অমূলদ সংখ্যারা ভরে দেয়।
নিচে সাতটা সংখ্যা আছে। একটা বেছে নাও, তারপর বলো সে কোন ঘরে পড়ে, আর তারপর ওই ঘরটা জুম করে দশ ভাগে ভাগ হয়ে যাবে; সেখানে দশমাংশটা ট্যাপ করো। দুটো সংখ্যা ইচ্ছে করে রাখা আছে যারা একই দশমাংশে গিয়ে পড়ে, আর সেটাই এই উইজেটটার আসল কথা।
বসাওচিপ বাছো, ঘর ট্যাপ করো, দশমাংশ ট্যাপ করো
সংখ্যারেখায় বসাও
π আর ২২/৭ একই দশমাংশে গিয়ে পড়ে, আর তাদের পার্থক্য শুরু হয় তৃতীয় দশমিক স্থান থেকে। তবু একজন মূলদ আর অন্যজন অমূলদ। সংখ্যারেখায় পাশাপাশি বসে থাকলেও তারা আলাদা পরিবারের, আর এই কথাটা পরীক্ষায় বারবার ফিরে আসে।
৪. যে ফাঁদগুলো পরীক্ষায় আসে
চারটে ফাঁদ বারবার আসে, আর চারটেই এক জায়গায় দেখে নেওয়া ভালো। √9 দেখতে অমূলদের মতো, কিন্তু ৯ পূর্ণবর্গ বলে √9 = ৩, একটা স্বাভাবিক সংখ্যা। ২২/৭ দেখতে π-এর মতো, কিন্তু সে স্পষ্ট ভগ্নাংশ, তাই মূলদ। ০ পূর্ণসংখ্যা কিন্তু স্বাভাবিক নয়। আর −√16 = −৪, একটা পূর্ণসংখ্যা। নিচের ছকে সারি ধরে ট্যাপ করে দেখো।
ছকসারি ট্যাপ করো
কোন সংখ্যা কোন সেটে
সংখ্যা
স্বাভা.
পূর্ণ
মূলদ
অমূলদ
বাস্তব
৭
✓
✓
✓
✕
✓
০
✕
✓
✓
✕
✓
-৫
✕
✓
✓
✕
✓
৩/৪
✕
✕
✓
✕
✓
০.৩
✕
✕
✓
✕
✓
√9
✓
✓
✓
✕
✓
২২/৭
✕
✕
✓
✕
✓
√2
✕
✕
✕
✓
✓
π
✕
✕
✕
✓
✓
৭ গণনার সংখ্যা, তাই স্বাভাবিক। আর স্বাভাবিক হলেই পূর্ণসংখ্যা, মূলদ (৭ = ৭/১) ও বাস্তব।
০ স্বাভাবিক সংখ্যা নয়, কারণ স্বাভাবিক সংখ্যা শুরু ১ থেকে। কিন্তু ০ পূর্ণসংখ্যা, আর ০ = ০/১ বলে মূলদও।
-৫ ঋণাত্মক, তাই স্বাভাবিক নয়। কিন্তু পূর্ণসংখ্যা, আর -৫ = -৫/১ বলে মূলদ।
৩/৪ কোনো পূর্ণসংখ্যা নয়, কিন্তু লব ও হর দুটোই পূর্ণসংখ্যা, তাই মূলদ।
ফাঁদ। √9 দেখতে অমূলদের মতো, কিন্তু ৯ পূর্ণবর্গ, তাই √9 = ৩, একটা স্বাভাবিক সংখ্যা। বর্গমূল চিহ্ন দেখলেই অমূলদ ভেবো না।
ফাঁদ। ২২/৭ ≈ ৩.১৪২৮৫৭… দেখে অনেকে π ভাবে। কিন্তু এটা স্পষ্ট p/q আকারে আছে, তাই মূলদ। π নয়, π-এর আসন্ন মান।
২ পূর্ণবর্গ নয়, তাই √2 অমূলদ। p/q আকারে লেখার কোনো উপায় নেই, আর তার প্রমাণ এই অধ্যায়েই আছে।
π = ৩.১৪১৫৯২৬৫…, অসীম আর অনাবৃত্ত, কোনো ভগ্নাংশ নয়। তাই অমূলদ।
সব সারি দেখা হলো। শেষ কলামে সবার ✓, কারণ সবাই বাস্তব সংখ্যা। আর অমূলদের কলামে ✓ পড়েছে মাত্র দুটো সারিতে, আর ওই দুই সারিতে বাকি সব কলামে ✕।
শেষ একটা তালিকা, আর এখানে প্রতিটা রায়ের সাথে কারণটাও আছে। শেষ কয়েকটা চিপ দেখায় অমূলদ সংখ্যায় যোগ বা গুণ করলে ফল সবসময় অমূলদ থাকে না, যেটা বইয়ে আলাদা করে বলা নেই কিন্তু পরীক্ষায় নিয়মিত আসে।
রায় ও কারণচিপ ট্যাপ করে কারণ পড়ো
মূলদ না অমূলদ, আর কেন
মূলদ। ২৫ পূর্ণবর্গ, ৫-এর বর্গ, তাই এর বর্গমূল ৫, একটা স্বাভাবিক সংখ্যা।
অমূলদ। ৭ পূর্ণবর্গ নয়, আর পূর্ণবর্গ নয় এমন স্বাভাবিক সংখ্যার বর্গমূল সবসময় অমূলদ।
মূলদ। আবৃত্ত দশমিক, আর ভগ্নাংশে ফিরিয়ে নিলে ১২/৯৯ = ৪/৩৩। যেকোনো আবৃত্ত দশমিককেই ভগ্নাংশে লেখা যায়।
অমূলদ। অসীম, আর কোনো অংশ পুনরাবৃত্ত হচ্ছে না; শূন্যের সংখ্যা প্রতিবার একটা করে বাড়ছে। নিয়ম আছে, কিন্তু আবৃত্তি নেই, আর মূলদ হতে হলে আবৃত্তি লাগে।
মূলদ। লব ২২ আর হর ৭, দুটোই পূর্ণসংখ্যা। দশমিকে ৩.১৪২৮৫৭১৪২৮৫৭…, আবৃত্ত, আর চক্রটা ১৪২৮৫৭।
অমূলদ। বৃত্তের পরিধি ও ব্যাসের অনুপাত, কিন্তু কোনো পূর্ণসংখ্যার অনুপাত নয়। ২২/৭ কেবল তার আসন্ন মান, সমান নয়।
মূলদ। ফল ২। দুটো অমূলদের গুণফল মূলদ হতে পারে, আর এখানে হয়েছে।
অমূলদ। ফল ২√3। অশূন্য মূলদ সংখ্যা দিয়ে গুণ করলে অমূলদ অমূলদই থাকে।
মূলদ। √5 কেটে যায়, ফল ৪। দুটো অমূলদের যোগফলও মূলদ হতে পারে।
মূলদ। লব ও হর দুটোই পূর্ণবর্গ, ১৬ = ৪² আর ২৫ = ৫², তাই ফল ৪/৫।
অমূলদ। ৩ মূলদ আর √2 অমূলদ, আর অশূন্য মূলদ গুণ অমূলদ সবসময় অমূলদ।
বারোটাই দেখা হলো। শেষ কয়েকটা থেকে নিয়মটা বেরিয়ে আসে: মূলদ যোগ বা বিয়োগ অমূলদ সবসময় অমূলদ, আর অশূন্য মূলদ গুণ অমূলদও তাই। কিন্তু অমূলদ আর অমূলদ মেশালে কোনো নিশ্চয়তা নেই।
দুটো ফাঁদ একসাথে এলে কী হয়, সেটা শেষ প্রশ্নে দেখে নাও।
মিলিয়ে দেখো
শেষ প্রশ্ন
√16 + ২২/৭ কোন ধরনের সংখ্যা?
বর্গমূল চিহ্ন থাকলেই অমূলদ নয়। ১৬ পূর্ণবর্গ, তাই √16 = ৪, একটা পূর্ণসংখ্যা।
২২/৭ আর π এক নয়। ২২/৭ = ৩.১৪২৮৫৭… আবৃত্ত, আর π = ৩.১৪১৫৯২… অনাবৃত্ত; পার্থক্য শুরু তৃতীয় দশমিক স্থান থেকে।
ঠিক। ১৬ পূর্ণবর্গ, তাই √16 = ৪, মূলদ। ২২/৭-ও মূলদ। যোগফল ৪ + ২২/৭ = ৫০/৭, একটা ভগ্নাংশ। দুটো ফাঁদই একসঙ্গে পার হলো।
দুটোই বাস্তব সংখ্যা, তাই যোগফলও বাস্তব। বাস্তব সংখ্যার বাইরে যাওয়ার কোনো উপায় এই অধ্যায়ে নেই।
এই নোটের যে কথাগুলো বাকি অধ্যায়ে বারবার লাগবে, সেগুলো নিচের কার্ডে কেটে রাখা আছে।
নোট থেকে কাটাউল্টে দেখো
চারটা কার্ড
সামনেমূলদ সংখ্যার সংজ্ঞা কী?
পিছনেযাকে p/q আকারে লেখা যায়, যেখানে p ও q পূর্ণসংখ্যা আর q শূন্য নয়।
সামনেবাস্তব সংখ্যা কাকে বলে?
পিছনেসব মূলদ আর সব অমূলদ মিলে। কোনো সংখ্যা দুই ঘরে নেই, কোনো সংখ্যা বাইরেও নেই।
সামনে০ আর ১ নিয়ে দুটো ফাঁদ কী?
পিছনে০ পূর্ণসংখ্যা কিন্তু স্বাভাবিক নয়, আর ধনাত্মকও নয় ঋণাত্মকও নয়। ১ মৌলিকও নয় যৌগিকও নয়।
সামনে২২/৭ কি π?
পিছনেনা। ২২/৭ মূলদ ও আবৃত্ত, π অমূলদ ও অনাবৃত্ত। পার্থক্য শুরু তৃতীয় দশমিক স্থান থেকে।